দেশে তৈরি হ্যান্ডসেটের অংশ এখন ৬৮ শতাংশ। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্ট মহলের ভাষ্য, আগামী কয়েক বছরে এই খাতে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়বে।

পরিসংখ্যান যা বলছে

তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, পাইলট কার্যক্রম সফল হলে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা আছে। বিষয়টি নিয়ে আগামী দিনে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রযুক্তি মানুষের কাজকে সহজ করার জন্যই

প্রকল্প সমন্বয়ক

সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের একজন প্রকৌশলী বলেন, প্রযুক্তিটি স্থানীয় প্রেক্ষাপটে মানানসই করে গড়ে তোলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে সংবাদপত্র ডটকম।