কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ৭২ হাজার ছাড়িয়েছে। ত্রাণ পৌঁছালেও ঘর মেরামতের সহায়তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। অনেক পরিবার এখনো বাঁধের ওপর আশ্রয়ে। নিজস্ব প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরেই এই সমস্যার সমাধান চেয়ে আসছেন তাঁরা। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পরিসংখ্যান যা বলছে
জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে। বিষয়টি নিয়ে আগামী দিনে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আমরা বিষয়টি অগ্রাধিকার দিয়ে দেখছি
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা
স্থানীয় প্রশাসন বলছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে সংবাদপত্র ডটকম।



